বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

আদর্শ শ্রেণি শিক্ষকের মৌলিক ২১টি দায়িত্ব ও কর্তব্য-

আদর্শ শ্রেণি শিক্ষকের মৌলিক ২১টি দায়িত্ব ও কর্তব্য-
==================================

১। হাজিরা খাতায় নাম উঠানো।
২। ডায়েরিতে শিক্ষার্থীর পিতা- মাতার নাম বা স্থানীয় অভিভাবকের নাম এবং তাদের মোবাইল নম্বর, বাসার ঠিকানা, অভিভাবকের পেশা সংরক্ষণ করবেন ।
২। ফলাফল রেজিস্ট্রার খাতায় শিক্ষার্থীর বিভিন্ন পরীক্ষা প্রোগ্রেস রিপোর্ট তৈরি করবেন ।
৩। । শ্রেণি শিক্ষক সবল, দূর্বল, অধিক দূর্বল, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর তথ্য সংরক্ষণ করবেন।
৪। শিক্ষক বিধি মোতাবেক সময়মত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবেন এবং শ্রেণি কার্যক্রম শেষে সবকিছু সুন্দরভাবে গুছিয়ে রেখে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করবেন।
৫। শিক্ষার্থীর প্রতি একজন শ্রেণি শিক্ষকের আচরণ বা দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় হবে ইতিবাচক । তিনি নেতিবাচকতা সম্পূর্ণভাবে পরিহার করবেন । শিক্ষক নিজে শৃংখলা মেনে চলবেন ।
৬। শ্রেণি শিক্ষক নিয়মিত প্রাত্যহিক সমাবেশে সময়মত উপস্থিত থাকবেন ।
৭। শ্রেণি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে বেশ কয়েকটি সমান গ্রুপে ভাগ করে দিবেন ।
৮। শিক্ষার্থীর মধ্যে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চেতনা সৃষ্টি করার মানসে শ্রেণি শিক্ষক গোপন ভোটের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন নির্বাচন করবেন ।
৯। একজন শ্রেণি শিক্ষক তার শিক্ষার্থীর সাথে বিশ্বস্থ বন্ধুর মত আচরণ করবেন ।
১০। । শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক বজায় রেখে একজন শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীর সুখে-দুখে, সাফল্য-ব্যর্থতায় সব সময় পাশে থাকবেন ।
১১। । একজন শ্রেণি শিক্ষককে শিক্ষার্থীর আচরণ দেখে তার মনের ভাষা বুঝতে হবে।
১২। একজন শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রেষণা সৃষ্টি করবেন
১৩। । শ্রেণি শিক্ষকের নিজস্ব গঠনমূলক বা সৃজনশীল কোনো পরামর্শ থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে আলোচনা করে সে অনুযায়ী কাজ করবেন ।
১৪। শ্রেণি শিক্ষক শ্রেণির বিষয় শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করবেন এবং তাঁদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিবেন ।
১৫। কোন শিক্ষার্থী শ্রেণিতে অনিয়ম বা শৃংখলা ভঙ্গ করলে শ্রেণি শিক্ষক তা অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করবেন ।
১৬। শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীর পেশাগত জীবনের লক্ষ্য জেনে নিবেন । এতে করে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে তার লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রয়োজনীয় উপদেশ দিয়ে সহায়তা করতে পারবেন ।
১৭। শ্রেণি শিক্ষক তাঁর বিষয়ে পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সময়ে সময়ে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে আয়োজিত শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করবেন । নিজ বিদ্যালয়ে ইন হাউজ ট্রেনিং করাবেন।
১৮। একজন শ্রেণি শিক্ষক বা বিষয় শিক্ষক যে বিষয়টিতে শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করবেন সে বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে ।
১৯। শিক্ষক তাঁর সুবিধা মত সময়ে এই পাঠাগারে প্রবেশ করবেন নিজের জ্ঞানের প্রসার ঘটানোর জন্য ।
২০। পেশাদারী এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে একজন শ্রেণি শিক্ষক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সব সময় সকল শিক্ষার্থীর জন্য একই রকম ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন । মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পরিচয় যাতে প্রাধান্য না পায় বরং শিক্ষার্থীর মেধার মাধ্যমে সকলকে সমান দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করলে প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে ।
২১। যথা যথ উপকরণ ব্যবহার ও পাঠ পরিকল্পনা করে অংশ গ্রহন মুলক ক্লাস নিতে হবে। যাতে থাকবে কুশল বিনিময়, পূর্ব জ্ঞান যাচাই, পাঠ ঘোষণা, শিখন ফল জানানো,বোর্ডের কাজ, আলোচনা, দলিয়,একক কাজ, মূল্যায়ন, বাড়ির কাজ,বিদায়। ICT পূর্ণ ব্যবহার।

জাতীয় বেতন স্কেল/২০১৫ (গ্রেড ভিত্তিক বেতনের হিসাব)


গণকর্মচারী শৃঙ্খলা নিয়মিত উপস্থিতি অধ্যাদেশ ১৯৮২

#গণকর্মচারী_শৃঙ্খলা_নিয়মিত_উপস্থিতি_অধ্যাদেশ_১৯৮২

(নির্বাহী আদেশ নং এসইডি/পিএস/৮২-১০৩ তারিখঃ ১৪/৯/৮২)
------------------------------------------------------------------
নম্বর ৫৫৭-পাব গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক কতৃর্ক প্রণীত নিম্নোক্ত অধ্যাদেশ ১৩ই সেপ্টেম্বর, ১৯৮২ সালে এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হইলঃ

যেহেতু সরকারী কর্মচারীদের মধ্যে শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তীতা নিশ্চিত করিবার নিমিত্তে বিশেষ বিধানাবলী প্রণয়ন করা প্রয়োজন;

তাই ২৪শে মার্চ, ১৯৮২ সালের ফরমান অনুযায়ী এবং এই ফরমান বলে প্রদত্ত ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার প্রেক্ষিতে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এতদ্বারা এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেন ।

 #ধারা-১ ( সংক্ষিপ্ত শিরোনাম )

এই অধ্যাদেশ গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বলিয়া অভিহিত হইবে ।

#ধারা-২ ( সংজ্ঞা )

এই অধ্যাদেশের কোনো প্রসঙ্গ বা বিষয় কোনো কিছু পরিপন্থী না থাকিলে-

(ক)''কতৃর্পক্ষ'' বলিতে নিয়োগকারী কতৃর্পক্ষ অথবা নিয়োগকারী কতৃর্পক্ষ কতৃর্ক ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা বা যেকোনো কতৃর্পক্ষকে বুঝাইবে ।

(খ) ''গণ-কর্মচারী'' বলিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত অথবা যেকোনো বিধিবদ্ধ সংস্থায় চাকুরীরত ব্যক্তিকে বুঝাইবে ।

#ধারা-৩ ( অন্য কোনো আইন, ইত্যাদির বিধান থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের কার্যকারিতা )

গণ-কর্মচারী সম্পর্কে অথবা গণ-কর্মচারীদের চাকুরীর শর্তাবলী সম্পর্কিত বিষয়ে অন্য কোনো আইন, বিধি প্রবিধিতে যাহাই থাকুক না কেন, তাহা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশ কার্যকর হইবে ।

#ধারা-৪ (বিনা অনুমতিতে কর্মে অনুপস্থিতির জন্য দণ্ড )

কোনো গণ-কর্মচারী তাহার ঊর্ধ্ধতন কতৃর্পক্ষের পূর্বনুমতি ব্যতীত ছুটিতে থাকিলে অথবা কর্মে অনুপস্থিত থাকিলে কতৃর্পক্ষ প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমান অর্থ কতৃর্ন করিতে পারিবেন ।

#ধারা -৫ ( বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগের জন্য দণ্ড )

অফিস চলাকালীন সময়ে কোনো গণ-কর্মচারী তাহার ঊর্ধ্ধতন কতৃর্পক্ষের অনুমতি ব্যতীত অফিস ত্যাগ করিলে কতৃর্পক্ষ এই জাতীয় প্রত্যেক ক্ষেত্রে একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণর্র্থ কর্তন করিতে পারিবেন ।

#ধারা-৬ ( বিলম্বে উপস্থিতির জন্য দণ্ড )

কোনো গণ-কর্মচারী অফিসে বিলম্বে উপস্থিত হইলে কতৃর্পক্ষ প্রতি দুই দিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করিতে পারিবেন ।

#ধারা-৭ (পুনঃপৌনিক অপরাধের জন্য দণ্ড )

যদি কোনো গণকর্মচারী ত্রিশ দিনের মধ্যে উপরোক্ত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ধারায় বর্ণিত যেকোনো অপরাধ একাধিকবার সংগঠন করেন তাহা হইলে কর্তৃপক্ষ উপরোক্ত কতৃর্ন ব্যতীতও আরোও অতিরিক্ত সাত দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কতর্ন করিতে পারিবেন ।

#ধারা-৮ (দণ্ডের পুনর্বেবেচনা )

উপরোক্ত ৪ বা ৫ বা ৬ বা ৭ ধারার আওতায়, কোনো গণকর্মচারীর বেতন হইতে কোনো অর্থ কর্তন করিবার আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী আদেশদানের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে কতৃর্পক্ষের নিকট উক্ত আদেশ পর্র্বিবেচনা করিবার জন্য আবেদন জানাইলে কতৃর্পক্ষ শুনানি গ্রহণ পূর্বক প্রয়োজনবোধে এই আদেশ সংশোধন বাতিল বা বহাল রাখিতে পারিবেন ।

#ধারা-৯ ( সরকরী কর্মকমিশনের সহিত পরামর্শ করণের প্রয়োজনীয়তা )

এই অধ্যাদেশের আওতাভুক্ত কোনো বিষয়ের উপর ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারী কর্মকমিশনের সহিত পরামর্শকরণের প্রয়োজন হইবে না ।
ধারা -১০ ( আদালতের এখতিয়ার না থাকা সংক্রান্ত )

এই অধ্যাদেশের আওতায় গৃহীত কোনো কার্যক্রম বা প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না ।

(১) অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অননুমোদিত অনুপস্থিতির ঘটনা প্রসংগে ।

মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অন্যান্য সরকারী অফিসসমূহের এবং সরকারী সংবিধিবদ্ধ কর্পোরেশনের (স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বোড, কতৃর্পক্ষ ইত্যাদি) অফিসার কর্মচারীদের অননুমোদিত অনুপস্থিতির ঘটনার মূলোত্‍পাটন (cradicate) এবং অফিসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক গণ-কর্মচারী শৃংখলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ. ১৯৮২ জারি করিয়াছেন ।এই অধ্যাদেশের আওতায় নিয়োগকারী কতৃর্পক্ষ হিসাবে অর্থায়িত কতৃর্পক্ষ অথবা উক্ত কতৃর্পক্ষের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে, কোনো কর্মচারীর বিলম্বে অফিসে আসা বা অননুমোদিতভাবে অফিসে অনুপস্থিত থাকা বা অনুমতি ব্যতীত অফিস ত্যাগ করার জন্য শাস্তি আরোপের পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেওয়া হইয়াছে । ইহার পরও সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানগণ তাহাদের অধীনস্থ অফিসার/কর্মচারীদের নিয়মিতভাবে অফিসে আসা ও অননুমোদিতভাবে অফিসে অনুপস্থিত না থাকা নিশ্চিত করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকিবেন৷

(২) সকল নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অনতিবিলম্বে উহাদের অধীনস্থ কোনো ব্যক্তিগণকে এই অধ্যাদেশের ২(এ) ধারার আওতায় সংজ্ঞায়িত কতৃর্পক্ষের ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য কতৃর্পক্ষ হিসাবে নিযুক্ত করিবেন । অফিসের আকারের (size) উপর ভিত্তি করিয়া উক্ত অফিসের বিভিন্ন শ্রেণীর অফিসার/কর্মচারীদের বিষয়াদি দেখাশোনার জন্য সুবিধামত একাধিক ব্যক্তিকেও কতৃর্পক্ষ হিসাবে নিযুক্ত করা যাইবে ।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি অফিস আরম্ভ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট বিলম্বেও অফিসে আসেন তাহা হইলে তাহাকে এই অধ্যাদেশে বর্ণিত শাস্তি প্রদান করা হইবে । এই ক্ষেত্রে যানবাহনের অপ্রাপ্তবতা, সরকারী যানবাহন নষ্ট হইয়া যাওয়া বা বিলম্বে পৌঁছা এবং অপরিহার্য ব্যক্তিগত কাজকে যুক্তিসঙ্গত অজুহাত হিসাবে গণ্য করা হইবে না । তাহা ছাড়া অফিসে পৌঁছার জন্য ১০ অথবা ১৫ মিনিটের সময়ের অনুমতিযোগ্য হইবে না । অফিসে উপস্থিত হওয়ার সঠিক সময় সুব্যবস্থিত উপায়ে লিপিবদ্ধকরণ ও রিপোর্টিংয়ের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে । উদাহরণস্বরূপ মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রত্যেক শাখার কর্মচারীগণকে ঐ শাখার হাজিরা খাতায় নির্ধারিত সময়ে তাহাদের স্বাক্ষর প্রদান করিতে হইবে । উক্ত হাজিরা খাতা প্রতিদিন সকাল ৯-১৫ ঘটিকার (বর্তমানে ৮-১৫ ঘটিকা) মধ্যে উপসচিব (প্রশাসন)-এর নিকট পৌঁছিতে হইবে । হাজিরা খাতা উপসচিব (প্রশাসন)-এর নিকট প্রেরণ করা পর্যন্ত কোনো কর্মচারী অফিসে পৌঁছাইতে না পারিলে উক্ত দিবসে তাহার নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দিতে হইবে এবং উক্ত হাজিরা খাতায় সেইদিন তাহাকে আর স্বাক্ষর করিতে দেওয়া হইবে না এই ধরেনর বিলম্বে উপস্থিত কর্মচারীকে যুগ্ম সচিব (প্রশাসন)-এর অফিসকক্ষে রক্ষিত বিশেষ হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করিতে হইবে৷ সংশ্লিষ্ট শাখার সহকারী সচিব যদি কোনোদিন অনুপস্থিত থাকেন অথবা বিলম্বে অফিসে আসেন তাহা হইলে সেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শাখার উপস্থিত জ্যেষ্ঠ কর্মচারী উপসচিব (প্রশাসন)- এর নিকট হাজিরা খাতা প্রেরণ করিবেন ।

(৪) বৈধ কারণ ব্যতীত অথবা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্ধতন কর্মতর্তার অনুমতি ব্যতীত কেহ যাহাতে অফিস ত্যাগ করিতে না পারেন তাহা নিশ্চিত করার জন্য মাঝে মধ্যে তদারকির ব্যবস্থা করিতে হইবে । কোনো ব্যক্তিকে অফিস ত্যাগ করার সময় নিকটস্থ কাউকে অবহিত করিয়া যাইতে হইবে যাহাতে তাহার অফিস ত্যাগের বিষয়টি জানা থাকে এবং প্রত্যেক শাখা/অধিশাখা/ অফিস রক্ষিত রেজিস্টারে তাহার বাহিরে যাওয়ার বিষয়টি লিপিবদ্ধ করিতে হইবে । উক্ত রেজিস্টারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম, অফিস ত্যাগের কারণ এবং অফিস ত্যাগের ও অফিসে ফেরত আসার সময় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে ।

(৫) কেহই কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতীত অফিসে অনুপস্থিত থাকিবেন না অথবা কোনো প্রকার ছুটি ভোগ করিবেন না । কেবল অনুমোদিত চিকিত্সক কতৃর্ক প্রদত্ত মেডিকেল সার্টিফিকেট দ্বারা সমর্থিত কোনো গুরুতর ও অকস্মাত্‍ অসুস্থতা অথবা বৈধ সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত কোনো দূর্ঘটনা কতৃর্পক্ষের অনুমোদন ব্যতীত অফিসে অনুপস্থিত থাকার সন্তোষজনক কারণ হিসাবে গৃহীত হইতে পারে । অভ্যাসগত অপরাধীকে আনুষ্ঠানিক বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে যথাযথ ক্ষেত্রে চাকুরী হইতে অপসারণসহ গুরুদণ্ড প্রদান করিতে হইবে ।

(৬) জরিমানার অর্থ সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মচারীর মাসিক বেতন বিল হইতে বিয়োজন করিয়া আদায় করিতে হইবে । যাহারা তাহাদের নিজস্ব বেতন নিজেরাই উত্তোলন করিয়া থাকেন তাহাদের ক্ষেত্রে জরিমানার অর্থ মহাহিসাব রক্ষকের কার্যালয়কে অবহিত রাখিয়া তাহাদের বেতন বিল হইতে বিয়োজন করার নির্দেশ প্রদান করা হইবে । কোনো ক্ষেত্রে যদি জরিমানার অর্থ তাহাদের বেতন বিল হইতে বিয়োজন করা না হয় তাহা হইলে মহাহিসাবরক্ষকের কার্যালয় উক্ত জরিমানার অর্থ তাহার বেতন-বিল হইতে বিয়োজন করিয়া বাকী বেতনের চেক ইস্যু করিবেন । এই উদ্দেশ্যে মহাহিসাবরক্ষকের কার্যালয়কে এইরূপ বিয়োজনের বিষয়ে অবহিত রাখিতে হইবে ।

(৭) এই অধ্যাদেশের ৮ ধারার অধীন অভি নিবেদনের ক্ষেত্রে একমাত্র সাক্ষ্যর মেমোরেণ্ডার, মতামত ও সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করিতে হইবে । এইরূপ মেমোরেণ্ডামের একটি কপি মতামত ও রেকর্ডের কপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে চাহিলে প্রদান করিতে হইবে ।

(৮) এই অধ্যাদেশের ৯ ধারায় বলা হইয়াছে যে, এই অধ্যাদেশের আওতায় কোনো দণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের সহিত পরামর্শকরণের প্রয়োজন হইবে না ।

(৯) এই অধ্যাদেশের ১০ ধারায় বর্ণিত রহিয়াছে যে, এই অধ্যাদেশের আওতায় গৃহীত কোনো কার্যক্রম বা আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না ।

(১০) সরকারী ও বিধিবদ্ধ সংস্থার সকল কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান প্রযোজ্য হইবে । দৈনিক মজুরীর ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিক/কর্মচারী অথবা ১৯৬৫ সালের কারখানা আইনের অধীন কারখানা শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান প্রযোজ্য হইবে না ।

(১১) প্রত্যেক কর্মচারী যথাযথ কতৃর্পক্ষ কতৃর্ক প্রদত্ত তাহার নিজের পরিচয়পত্র অফিসে প্রবেশ করিবার সময় প্রদর্শন করিবেন ।
------------------------------------------------------------------

UNO স্যারের বিদ্যালয় পরিদর্শন

গত ০৮ আগষ্ট ২০১৭ ইং মেরাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব, খিন ওয়ান নু মহোদয়।
এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন জনাব, থোয়াইনু অং চৌধুরী, চেয়ারম্যান মহোদয়, লামা উপজেলা পরিষদ, সহকারি কমিশনার(ভূমি), উপজেলা মৎস কর্মকর্তা, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় বিদ্যলয়ের শ্রেনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করে খুবই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।










বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

গণকর্মচারী শৃঙ্খলা নিয়মিত উপস্থিতি অধ্যাদেশ ১৯৮২

#গণকর্মচারী_শৃঙ্খলা_নিয়মিত_উপস্থিতি_অধ্যাদেশ_১৯৮২ (নির্বাহী আদেশ নং এসইডি/পিএস/৮২-১০৩ তারিখঃ ১৪/৯/৮২) ----------------------------------...