বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

আদর্শ শ্রেণি শিক্ষকের মৌলিক ২১টি দায়িত্ব ও কর্তব্য-

আদর্শ শ্রেণি শিক্ষকের মৌলিক ২১টি দায়িত্ব ও কর্তব্য-
==================================

১। হাজিরা খাতায় নাম উঠানো।
২। ডায়েরিতে শিক্ষার্থীর পিতা- মাতার নাম বা স্থানীয় অভিভাবকের নাম এবং তাদের মোবাইল নম্বর, বাসার ঠিকানা, অভিভাবকের পেশা সংরক্ষণ করবেন ।
২। ফলাফল রেজিস্ট্রার খাতায় শিক্ষার্থীর বিভিন্ন পরীক্ষা প্রোগ্রেস রিপোর্ট তৈরি করবেন ।
৩। । শ্রেণি শিক্ষক সবল, দূর্বল, অধিক দূর্বল, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর তথ্য সংরক্ষণ করবেন।
৪। শিক্ষক বিধি মোতাবেক সময়মত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবেন এবং শ্রেণি কার্যক্রম শেষে সবকিছু সুন্দরভাবে গুছিয়ে রেখে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করবেন।
৫। শিক্ষার্থীর প্রতি একজন শ্রেণি শিক্ষকের আচরণ বা দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় হবে ইতিবাচক । তিনি নেতিবাচকতা সম্পূর্ণভাবে পরিহার করবেন । শিক্ষক নিজে শৃংখলা মেনে চলবেন ।
৬। শ্রেণি শিক্ষক নিয়মিত প্রাত্যহিক সমাবেশে সময়মত উপস্থিত থাকবেন ।
৭। শ্রেণি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে বেশ কয়েকটি সমান গ্রুপে ভাগ করে দিবেন ।
৮। শিক্ষার্থীর মধ্যে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চেতনা সৃষ্টি করার মানসে শ্রেণি শিক্ষক গোপন ভোটের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন নির্বাচন করবেন ।
৯। একজন শ্রেণি শিক্ষক তার শিক্ষার্থীর সাথে বিশ্বস্থ বন্ধুর মত আচরণ করবেন ।
১০। । শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক বজায় রেখে একজন শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীর সুখে-দুখে, সাফল্য-ব্যর্থতায় সব সময় পাশে থাকবেন ।
১১। । একজন শ্রেণি শিক্ষককে শিক্ষার্থীর আচরণ দেখে তার মনের ভাষা বুঝতে হবে।
১২। একজন শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রেষণা সৃষ্টি করবেন
১৩। । শ্রেণি শিক্ষকের নিজস্ব গঠনমূলক বা সৃজনশীল কোনো পরামর্শ থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে আলোচনা করে সে অনুযায়ী কাজ করবেন ।
১৪। শ্রেণি শিক্ষক শ্রেণির বিষয় শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করবেন এবং তাঁদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিবেন ।
১৫। কোন শিক্ষার্থী শ্রেণিতে অনিয়ম বা শৃংখলা ভঙ্গ করলে শ্রেণি শিক্ষক তা অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করবেন ।
১৬। শ্রেণি শিক্ষক শিক্ষার্থীর পেশাগত জীবনের লক্ষ্য জেনে নিবেন । এতে করে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে তার লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রয়োজনীয় উপদেশ দিয়ে সহায়তা করতে পারবেন ।
১৭। শ্রেণি শিক্ষক তাঁর বিষয়ে পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সময়ে সময়ে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে আয়োজিত শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করবেন । নিজ বিদ্যালয়ে ইন হাউজ ট্রেনিং করাবেন।
১৮। একজন শ্রেণি শিক্ষক বা বিষয় শিক্ষক যে বিষয়টিতে শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করবেন সে বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে ।
১৯। শিক্ষক তাঁর সুবিধা মত সময়ে এই পাঠাগারে প্রবেশ করবেন নিজের জ্ঞানের প্রসার ঘটানোর জন্য ।
২০। পেশাদারী এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে একজন শ্রেণি শিক্ষক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সব সময় সকল শিক্ষার্থীর জন্য একই রকম ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন । মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পরিচয় যাতে প্রাধান্য না পায় বরং শিক্ষার্থীর মেধার মাধ্যমে সকলকে সমান দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করলে প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে ।
২১। যথা যথ উপকরণ ব্যবহার ও পাঠ পরিকল্পনা করে অংশ গ্রহন মুলক ক্লাস নিতে হবে। যাতে থাকবে কুশল বিনিময়, পূর্ব জ্ঞান যাচাই, পাঠ ঘোষণা, শিখন ফল জানানো,বোর্ডের কাজ, আলোচনা, দলিয়,একক কাজ, মূল্যায়ন, বাড়ির কাজ,বিদায়। ICT পূর্ণ ব্যবহার।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

গণকর্মচারী শৃঙ্খলা নিয়মিত উপস্থিতি অধ্যাদেশ ১৯৮২

#গণকর্মচারী_শৃঙ্খলা_নিয়মিত_উপস্থিতি_অধ্যাদেশ_১৯৮২ (নির্বাহী আদেশ নং এসইডি/পিএস/৮২-১০৩ তারিখঃ ১৪/৯/৮২) ----------------------------------...